আমাদের বাড়ির পুকুরটা ভরতি ছিলো কচুরিপানায়। আমরা কি করতাম জানো? টাপা নিয়ে_ টাপা চেনো তো, ওই ধামার মতো আর কি _ টাপা বা ধামা কোনোটাই চেনার কোনো লক্ষণ শ্রোতার এক্সপ্রেশনে দেখতে না পেয়ে বক্তা এবার হাত দিয়ে বোঝাবার চেষ্টা করে জিনিসটা কি রকম_ বাঁশের তৈরী বুঝেছো, মুরগি ঢেকে রাখতো।
বাড়ির পুকুর থেকে টাপা ও ধামা হয়ে মুরগিতে এসে ঠেকলে বর্ণনাটি ঠিক কোনদিকে টার্ন নেবে ঠাহর করা যায়না। তবে ভরসার কথা, অচিরেই আবার বাড়ির পুকুর ফিরে আসে _ তো, আমরা ওই টাপা দিয়ে হাঁটু বা কোমর পানিতে নেমে কচুরিপানা তুলতাম। তারপর ডাঙ্গায় এনে কচুরিপানাগুলো ফেলে দিলে দেখা যেত, অনেকগুলো কৈ মাছ খলবল খলবল করছে। ইয়া বড়ো বড়ো। আর এগুলো_ পাতের থেকে কৈ মাছ তুলে নিয়ে সে বলে এগুলো....
বাকিটুকু পড়ু
     
 
'এক দেশে ছিলো এক রাজা, আর ছিলো এক রানী।'_ বাবা গল্প বলছে, আর আদিত্য চোখেমুখে রাজ্যের কৌতূহল নিয়ে বসে আছে। গল্পটা তার অনেকবার শোনা, সে জানে এরপর বাবা কি বলবে, তবু প্রতিবারই সে ভীষণ আগ্রহ নিয়ে গল্পটা শোনে। গল্পের প্রতিটি বাক্যে বাবার এঙ্প্রেশন যেভাবে বদলে যায়, সেটা দেখার জন্য হলেও বারবার গল্পটা শুনতে ইচ্ছে করে তার। কিন্তু এখন গল্প শুনতে শুনতে একইসঙ্গে সে ভাবে_ সম্পর্ক নিয়ে আমি একটা উপন্যাস লিখতে চাই। সম্পর্ক নিয়ে? এ আর নতুন কি? পৃথিবীতে এমন কোন উপন্যাস আছে, যার মধ্যে দিয়ে নানারকম সম্পর্কের দৃশ্যকল্প তৈরি হয়নি! তাহলে আমি আর নতুন কি লিখবো? না, নতুন কিছু লিখতে পারবো কী না জানি না, কিন্তু এটা জানি_ একজন মানুষ সারাজীবন ধরে যতরকম সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, তা নিয়ে এক বিরাট উপন্যাস লেখা যায়। শুয়ে শুয়ে এসব ভাবতে ভাবতে কখন ঝিমুনি এসে গেছে বুঝতে পারেনি কায়সার আহমেদ ওরফে আদিত্য। তারপর হঠাৎ সে দ্যাখে, বাবা গল্প করছে।....
বাকিটুকু পড়ু